কালো থেকে ফর্সা হওয়ার উপায়

মানুষের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো গায়ের রং। আমাদের প্রত্যেকেরই গায়ের রং একই নয়। কেউ অনেক বেশি ফর্সা, কেউ শ্যাম বর্ণ আবার কেউ কালো। জন্মগত যে গায়ের রংটি থাকে সেটি সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন হতে থাকে। সৌন্দর্যের ক্ষেত্রে এই গায়ের রংটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


ফর্সা হতে কে না চায়। কিন্তু শ্যাম বর্ণ বা কালো থেকে গায়ের রং ফর্সা করার জন্য কি কি উপায় অবলম্বন করতে হবে এ বিষয়ে কি সকলের ধারণা রয়েছে? না আসলেই নেই। কারণ প্রত্যেকটি মানুষ যদি জানতো কিভাবে বিভিন্ন উপায়ে ফর্সা হওয়া যায় তাহলে তো আর কোন মানুষের কালো থাকতো না।

আজ আমরা আপনাদের কালো থেকে ফর্সা হওয়ার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবো। কিভাবে প্রাকৃতিকভাবে এবং বিশেষ কিছু টিপস এন্ড ট্রিক্স ব্যবহার করে গায়ের রং ফর্সা করবেন সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে মনোযোগ দিয়ে শেষ পর্যন্ত আর্টিকেলটি পড়ুন।

পেজ সূচিপত্রঃ

যাদের গায়ের রং কালো তারা সর্বদাই চিন্তিত থাকে যে কিভাবে গায়ের রঙে পরিবর্তন আনা যায়। তাই আজ আমরা নিয়ে এসেছি আপনাদের জন্য কালো থেকে ফর্সা হওয়ার উপায়। বিভিন্নভাবে গায়ের রং উজ্জ্বল করা সম্ভব।প্রথমেই প্রাকৃতিকভাবে শুরু করা যেতে পারে। চলুন তাহলে জেনে নেই প্রাকৃতিকভাবে ফর্সা হওয়ার উপায় কি।
  • লেবু ও মধুঃএক চা চামচ লেবু এবং এর সাথে এক চা চামচ মধু মিশ্রিত করে প্রতিদিন মুখে লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর পরিষ্কার ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করবে এবং কালো ছোপ ছোপ রোদে পোড়া ভাব মুহূর্তেই সরিয়ে দিবে।
  • কমলার খোসাঃ কমলার খোসা মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্য অনেক সহায়তা করে। কমলা খেয়ে খোসা না ফেলে সেটিকে রোদে শুকিয়ে ভালোভাবে বেটে নিন। এরপর এর সাথে মধু বা গোলাপ জল অথবা টক দই দিয়ে প্যাক তৈরি করে মুখে লাগিয়ে প্রায় ২০ মিনিট রাখুন।
  • টমেটোঃ টমেটোতে রয়েছে ভিটামিন সি। এটি ত্বকের মরা কোষগুলোকে পুনর্জীবিত করে আরো আকর্ষণীয় করে তোলে। টমেটো রস করে লেবুর সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন মুখে লাগালে খুব ভালো ফল পাওয়া যাবে।
  • পাকা কলাঃ পাকা কলা ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন পাকা কলা চটকে নিয়ে মুখে লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  • কাঁচা হলুদঃ ফর্সা হওয়ার জন্য জাদুকরি কাজ করে কাঁচা হলুদ। কাঁচা হলুদ ভেতর থেকে গায়ের রং উজ্জ্বল করে থাকে। দুধের সাথে কাঁচা হলুদ মিশিয়ে মুখে দিলে পূর্বের তুলনায় রং উজ্জ্বল হয়।
  • মসুর ডালঃ মসুর ডাল মুখের ময়লা কাটাতে সাহায্য করে। মসুর ডাল ও ডিম দিয়ে প্যাক তৈরি করে মুখে লাগালে সাত থেকে ১০ দিনের মধ্যেই ফল পাওয়া যায়।
  • বেসনঃ লেবুর রস, দুধ ও বেসন দিয়ে ঘন করে প্যাক তৈরি করে নিন। এরপর মুখে লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত রেখে দিন। শুকিয়ে গেল ধুয়ে ফেলুন।
  • শসাঃ শসা অন্যতম উপায় হতে পারে রং ফর্সা করার। শসার সঙ্গে মধু মিশে প্যাক তৈরি করে মুখে লাগালে রং উজ্জ্বল হবেই।

কি খেলে ভেতর থেকে ফর্সা হওয়া যায়?

ফর্সা হতে হলে শুধুমাত্র যে রূপচর্চা করতে হবে এমনটি নয়। প্রতিনিয়ত সকলে খুঁজে বেড়ায় কালো থেকে ফর্সা হওয়ার উপায় ।শুধু ফর্সা হলেই হবে না তার সঙ্গে ত্বক ভালো রাখতে হবে। তাই এক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাসের মধ্যেও কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। রূপচর্চা আপনার বাহ্যিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করলেও এমন কিছু খাবার রয়েছে যা খেলে ভেতর থেকে রং ফর্সা হয়ে ওঠে। কি খেলে ভেতর থেকে ফর্সা হওয়া যায় তাহলে নিশ্চয়ই এখন আপনারা জানতে চাইবেন? জেনে নিন-

  1. শসাঃ শসাতে রয়েছে পটাশিয়াম, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম, বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন এবং পানি। শসা খেলে এর অন্তর্গত ভিটামিন গুলো দ্বারা ভেতর থেকে গায়ের রং ফর্সা হবে।
  2. পানিঃ ত্বককে সুন্দর ও উজ্জ্বল রাখার জন্য প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। পানি ত্বককে সতেজ রাখে।
  3. গাজরঃ গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ। এটি তীব্র সূর্যরশী থেকে ত্বককে রক্ষা করে এবং ভালো রাখে।
  4. মাছঃ মাছের বিদ্যমান থাকা ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।
  5. সবুজ শাকসবজিঃ বিভিন্ন ধরনের সবুজ শাকসবজি খেলে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন আমাদের শরীরে অন্তর্গত হয় যার মাধ্যমে ত্বক ভালো থাকে।
  6. ডিমঃ ডিমে এত বেশি ভিটামিন ও প্রোটিন রয়েছে যা ত্বক ফর্সা করার ক্ষেত্রেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই খাদ্য তালিকা থেকে কোনভাবেই ডিমকে বাদ দেয়া যাবে না।
  7. বাদামঃ বাদামের গুনাগুন না বললেই নয়। বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম। বাদাম ত্বককে টানটান রাখতে সহায়তা করে এবং বয়সের ছাপ কমায়।
  8. সালাতঃ ত্বককে উজ্জ্বল এবং সুস্থ রাখার জন্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এর প্রয়োজন। তাই নিয়মিত সালাত খাওয়া উচিত। মনে রাখবেন রান্না করা সবজির চেয়ে কাঁচা সবজি প্রচুর ভিটামিন সমৃদ্ধ।
  9. গ্রিন টিঃ গ্রিন টিতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। গ্রিন টি খেলে ত্বকের বলিরেখা দূর হয়। ফলে বয়সের ভার সহজে বোঝা যায় না।

কি কারণে ত্বকের উজ্জ্বলতা কমে যায়?

উজ্জ্বল ত্বক সকলেরই কাম্য। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় যত দিন যায় ত্বক তার উজ্জ্বলতা হারিয়ে ফেলে। অবশ্যই এর যথার্থ কিছু কারণ রয়েছে যেটি হয়তো আমাদের অনেকেরই অজানা। কখনো কি এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছেন যে কি কারণে ত্বকের উজ্জ্বলতা কমে যায়? নিশ্চয়ই এত গভীরভাবে চিন্তাই করেননি। কিন্তু ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে হলে আগে তার মলিন হয়ে যাওয়ার কারণ খুঁজে বের করতে হবে। যে কারণে ত্বকের উজ্জ্বলতা কমে যায় তা হল-
  • অতিরিক্ত মানসিক চাপ ত্বকের উজ্জ্বলতা হারিয়ে যাওয়ার অন্যতম একটি কারণ।
  • পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া।
  • অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস।
  • সঠিকভাবে ত্বকের যত্ন না নেয়া।
  • পুষ্টি ও ভিটামিনের অভাব।
  • অতিরিক্ত শুষ্ক ত্বক।
  • শরীরে পর্যাপ্ত পানির অভাব।
  • দীর্ঘ সময় ধরে রোদে অবস্থান করা।
  • বয়সের তারতম্য।
উপরোক্ত প্রতিটি কারণ ত্বকের উজ্জ্বলতা হারানোর জন্য দায়ী।

ফর্সা হওয়ার নাইট ক্রিমের নাম 

কালো গায়ের রঙের অধিকারী ব্যক্তিরা প্রতিনিয়ত কালো থেকে ফর্সা হওয়ার উপায় খুঁজতে থাকে। বর্তমানে খুব অল্প সময়ের মধ্যে ফর্সা করার চ্যালেঞ্জিং কিছু নাইট ক্রিম পাওয়া যাচ্ছে। আসলে কি এগুলো কার্যকর নাকি ধোকাবাজি? আর এই ক্রিম গুলোর কি কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই? কোন নাইট ক্রিম গুলো ভালো এ বিষয়ে আজ আপনাদের জানাবো। ফর্সা হওয়ার নাইট ক্রিমের নাম নিচে উল্লেখ করা হলো-
  • লোটাস হারবাল নিউট্রানাইট নাইট ক্রিম (Lotus Herbal Nutranits Night Cream): যাদের ত্বক  তৈলাক্ত তাদের জন্য হতে পারে এই ক্রিমটি অন্যতম সমাধান। এই ক্রিমটি নিয়মিত ব্যবহারের ফলে ত্বক মসৃণ হয় এবং তৈলাক্ত ভাব দূর হয়ে যায় মুখ উজ্জ্বল করে।
  • ওলে ন্যাচারাল হোয়াইট অল ইন অল ফেয়ারনেস নাইট ক্রিম(Olay Natural White All In All Fairness Night Cream): এই ক্রিমট ত্বককে খুব ভালোভাবে ময়েশ্চারাইজ ও মসৃণ করে এবং সহজেই ত্বকে মিশে যায়। ক্রিমটি বেশ ঘন হয়ে থাকে।
  • পন্টস গোল্ড রেডিয়েন্টস ইউথ ফুল নাইট ক্রিম(Ponds Gold Rediance Youthful Night Cream): এই ক্রিমটি ত্বককে এটি নির্দিষ্ট ভারসাম্যে বজায় রেখে যথেষ্ট উজ্জ্বল করে থাকে। কয়েকদিন ব্যবহার করলেই কার্যকারিতা বোঝা যায়।
  • লরিয়াল প্যারিস হোয়াইট পারফেক্ট নাইট ক্রিম(Loreal Paris White Perfect Night Cream): এই ক্রিমটি ত্বকের উজ্জ্বলতা আনার সাথে সাথে ত্বকে থাকা অবাঞ্ছিত দাগ ও বলিরেখা রিমুভ করে দেয়।
  • হিমালয় রিভিটালিজিং নাইট ক্রিম(Himalaya Revitalizing Night Cream): এই ক্রিমটি উজ্জ্বলতা এবং শুষ্ক ত্বককে স্বাভাবিক করার জন্য ভালো ফলদায়ক।

স্থায়ীভাবে ফর্সা হওয়ার উপায়

আপনি যতই কালো থেকে ফর্সা হওয়ার উপায় খুঁজে বের করেন না কেন কোনটাই চিরস্থায়ী নয়। কারণ বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে বা বিভিন্ন প্রোডাক্ট ব্যবহার করে ফর্সা হওয়া যায় তবে সেটি সাময়িক। অর্থাৎ যতদিন প্রোডাক্টগুলো ইউজ করবেন ততদিন। বাদ দিয়ে দিলে আবার পূর্বের গায়ের রং ফিরে আসবে। তাহলে অবশ্যই আপনাকে স্থায়ীভাবে ফর্সা হওয়ার উপায় খুঁজে বের করতে হবে। চলুন তাহলে জেনে নেই।


স্থায়ীভাবে ফর্সা হতে হলে এমন কিছু করতে হবে যা ভেতর থেকে চিরস্থায়ী উজ্জ্বলতা আনবে। তার জন্য সবচেয়ে অন্যতম উপাদান হলো দুধ, কাঁচা হলুদ এবং লেবুর রস। এই তিনটি জিনিস কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

এক টেবিল চামচ লেবুর রস নিয়ে ও টেবিল চামচ কাঁচা হলুদ তিন চা চামচ দুধে মিশ্রিত করে একটি প্যাক  তৈরি করতে হবে। এটি সম্পূর্ণ মুখে ভালোভাবে আলতো হাতে দিয়ে যতক্ষণ না শুকিয়ে যায় ততক্ষণ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। শুকিয়ে গেলে পরিষ্কার ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। মনে রাখবেন, কাঁচা হলুদ মুখে দেয়ার পর কয়েক ঘন্টা রোদে যাওয়া যাবেনা।

আবার আপনি যদি চান কাঁচা হলুদের সাথে দুধ একত্রে খেতে পারেন। এটি আরো বেশি কার্যকর। দৈনিক হলুদ ও দুধ খেলে ভেতর থেকে গায়ের রং ধীরে ধীরে উজ্জ্বল হবে এবং ত্বক হবে সুন্দর।

তৈলাক্ত ত্বক যেভাবে ফর্সা করবেন

প্রত্যেকটি মানুষের ত্বক ভিন্নরকম। এমন অনেকেই আছে যাদের ত্বক অনেক তৈলাক্ত। এক্ষেত্রে অনেক কিছু ব্যবহারের ফলেও তৈলাক্ত ভাবের জন্য মুখের উজ্জ্বলতা আসে না এবং উজ্জ্বল হলেও তেমন একটা বোঝা যায় না। ফলে যতই গায়ের রং ফর্সা হোক না কেন তা ফুটে ওঠেনা। তাই আমরা আপনাদের আজ জানাবো তৈলাক্ত ত্বক যেভাবে ফর্সা করবেন।
  • দিনে বেশ কয়েকবার ঠান্ডা পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ধোয়ার চেষ্টা করুন। এতে করে তৈলাক্ত ভাব কেটে যাবে ও মুখের ময়লা কেটে উজ্জ্বলতা বাড়বে।
  • গ্লিসারিন সমৃদ্ধ সাবান মুখে ব্যবহার করতে পারেন।
  • তৈলাক্ত ত্বকে সরাসরি মধু মাখতে পারেন। এটি তেল চিটচিটে ভাব দূর করে দেবে এবং উজ্জ্বলতা বাড়াবে।
  • ডিমের সাদা অংশটি মুখে মাখতে পারেন। এটি স্কিনকে টানটান করবে এবং তৈলাক্ত ত্বককে ভালো করবে।
  • মুখে থাকা অবাঞ্ছিত তেল দূর করতে টমেটো খুবই কার্যকর। টমেটো রস করে মুখে মেখে তার শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

ফর্সা হওয়া কি সম্ভব?

বর্তমানে নারী এবং পুরুষ উভয় সৌন্দর্য সচেতন। ঘরোয়া পদ্ধতি থেকে শুরু করে পার্লার পর্যন্ত অজস্র টাকা মানুষ খরচ করছে শুধুমাত্র রং পরিবর্তন এর জন্য। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন বা নিজের মনকে প্রশ্ন করেছেন আসলেই ফর্সা হওয়া কি সম্ভব? যারা দীর্ঘদিন ধরে কালো থেকে ফর্সা হওয়ার উপায় অনুসন্ধান করছেন ও সঠিক এবং নির্ধারিত কোনো উত্তর খুঁজে পাননি আজ আমরা আমাদের এই লেখার মাধ্যমে আপনাদের জানিয়ে দেবো।

আপনি যদি ঘরোয়া উপাদান যেমন-মসুর ডাল, কাঁচা হলুদ, লেবু, মধু, শশা, টমেটো, চন্দন, মুলতানি যত কিছুই ব্যবহার করেন না কেন এগুলো দ্বারা সাময়িকভাবে গায়ের রং কিছুটা উজ্জ্বল হলেও কোনটি চিরস্থায়ী নয়। এগুলো ব্যবহার করে যে কোন ফল পাওয়া যায় না এমনটি নয়।মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়
এবং দাগ হালকা হওয়ার সাহায্য করে। তবে কোন কিছুই স্থায়ীভাবে অস্বাভাবিক ফর্সা করতে পারে না।
আশা করি উত্তরটি পেয়ে গেছেন।

কালো থেকে ফর্সা হওয়ার উপায়-শেষ কথা

গায়ের রং নিয়ে সকলেই এখন এত চিন্তিত যে হাজার হাজার টাকা খরচ করতে ভাবছে না। আর এর সুযোগ নিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা কেমিক্যাল যুক্ত ভুয়া পণ্য বিক্রি করছে অরিজিনাল বলে। এতে সাধারণ মানুষ দ্বিধাদ্বন্ধে পড়ে যাচ্ছে এবং প্রতারিত হচ্ছে। ত্বকে আরো নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। যেকোন ক্রিম বা প্রোডাক্ট ব্যবহারের জন্য আগে ভালোভাবে দেখে নিন তারপর ক্রয় করুন। না হলে বিপরীত ঘটতে পারে।

কালো থেকে ফর্সা হওয়ার উপায় সম্পর্কে উপরে যা যা উল্লেখ করা হয়েছে তা অনুসরণ করে আশা করা যায় ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে এবং ত্বকের রঙের পরিবর্তন আসবে। এগুলো দিয়ে আপনারা উপকৃত হবেন কিন্তু সম্পূর্ণরূপে অস্বাভাবিক পরিবর্তন পাবেন না। কারণ গায়ের রং আল্লাহর দান। আপনি জন্মগতভাবে একটি স্থায়ী গায়ের রং নিয়ে এসেছেন। আশা করি এ বিষয়ে আপনারা পর্যাপ্ত তথ্য পেয়েছেন। লেখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url