নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম ২০২৩

প্রায় প্রত্যেকটি ব্যক্তি জানেন ভোটার আইডি কার্ড কতটা গুরুত্বপূর্ণ। ভোটার হওয়া প্রত্যেকটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর সকল নাগরিককে নিজস্ব ভোটার আইডি কার্ড নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে সংগ্রহ করে নিতে হয়। আর এই কার্ডটি সংগ্রহ করতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলীর সম্পন্ন করতে হয়।


অনেকেই মনে করে আইডি কার্ড সংগ্রহ করা অনেক ঝামেলার একটি বিষয়। তাই খুব একটা গুরুত্ব না দিয়ে অবহেলা করে থাকে। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশের যে কোন স্থানে বা কার্যক্রমে এই ভোটার আইডি কার্ড মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেটি না হলেই নয়। তাই আমরা আজ আপনাদের এ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত জানাবো নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম এবং এর সংশ্লিষ্ট যাবতীয় কাজগুলো পর্যায়ক্রমে কিভাবে করতে হবে।

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গুরুত্ব সহকারে আর্টিকেলটি পড়তে থাকুন।

পেজ সূচিপত্রঃ

কত বছর বয়স হলে ভোটার আইডি কার্ড করতে হয়?

আমাদের মধ্যে এমন অনেক মানুষ রয়েছে যারা জানে না যে কত বছর বয়স হলে ভোটার আইডি কার্ড করতে হয়। কিন্তু এ বিষয়টি জানার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু বাংলাদেশের নাগরিক। তাই এ বিষয়গুলোতে অবশ্যই আমাদের সঠিক জ্ঞান থাকা জরুরী।


বর্তমানে জাতীয় পরিচয় পত্র পাওয়ার জন্য বয়স হতে হবে ১৬। ১৬ বছর হলেই ভোটার আইডি কার্ডের জন্য আবেদন করা যাবে এবং ১৮ বছরের মধ্যে অবশ্যই জাতীয় পরিচয় পত্র হাতে পাওয়া যাবে।

নতুন ভোটারের আবেদন কিভাবে করতে হবে?

আজ আমরা আলোচনা করব নতুন ভোটারের আবেদন কিভাবে করতে হবে এ বিষয়টি নিয়ে। কারণ অনলাইনের বিষয়টি সকলেই সহজে বুঝতে পারেন না বা খুব জটিল মনে করে থাকেন। তাই ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন কত উপায় করা যায় তা নিচে আলোচনা করা হলো-
  1. সরাসরি নির্বাচন অফিসে গিয়েঃ আপনি যদি চান নির্বাচন অফিসে গিয়ে ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন ফরম পূরণ করতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনি জাতীয় পরিচয় পত্র পাবেন।
  2. অনলাইনের মাধ্যমেঃ যদি মনে হয় নির্বাচন অফিসে না গিয়ে অনলাইনে করবেন সেটিও করতে পারেন। অনলাইনে আবেদন করলে পরবর্তীতে সকল কাগজপত্র নিয়ে নির্বাচন অফিসে গিয়ে আপনার সম্পূর্ণ বায়োডাটা অথবা তথ্য আপনাকে প্রদান করতে হবে।
এই দুটো উপায়ে ভোটারের কার্ডের জন্য আবেদন করা যায়। আপনার কাছে যেটি সহজ মনে হয় আপনি সেভাবে করতে পারেন তাতে কোন অসুবিধা হবে না। এক্ষেত্রে যারা চাকরি বা অন্যান্য কাজের উদ্দেশ্যে নিজের এলাকা থেকে বাইরে অবস্থান করে তাদের জন্য অনলাইনের মাধ্যমে করাটা সুবিধা জনক। যেহেতু তাদের দ্বারা নির্বাচন অফিসে আসা সব সময় সম্ভব নয়।
অন্যদিকে যারা নিজস্ব এলাকায় থাকছে তাদের জন্য নির্বাচন অফিস সুবিধা জনক।

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করতে কি কি প্রয়োজন?

যারা নতুনভাবে জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরি করবেন তারা নিশ্চয়ই জানেনা যে নতুন ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করতে কি কি প্রয়োজন হবে। কিন্তু এ বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কোন একটি তথ্য যদি না দেওয়া হয় তবে আইডি কার্ড গ্রহণকারী ব্যক্তিকে পরবর্তীতে অনেক ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এক নজরে দেখে নিন ভোটার আইডি কার্ড করতে যে তথ্যগুলোর প্রয়োজন হয়।
  • জন্ম নিবন্ধন সনদঃ ভোটার আইডি কার্ড গ্রহণ করার প্রথম শর্ত হলো জন্ম নিবন্ধন সনদ লাগবে। জন্ম নিবন্ধন সনদের প্রত্যেকটি তথ্য নির্ভুল হতে হবে।
  • শিক্ষা সনদঃ জাতীয় শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক প্রদত্ত শিক্ষা সনদ লাগবে। পরিচয়পত্র গ্রহণকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা এর প্রমাণ হিসেবে । যদি কোন ব্যক্তি শিক্ষাগত সনদ না থাকে তবে পাসপোর্ট হলেও চলবে। আর যদি পাসপোর্ট না থেকে থাকে সে ক্ষেত্রে ড্রাইভিং লাইসেন্স দেয়া যেতে পারে অথবা শুধু জন্ম নিবন্ধন দিলেই চলবে।
  • বাবা-মার এনআইডি কার্ডঃ পরিচয় পত্র পেতে হলে বাবা-মার এনআইডি কার্ড লাগবে। প্রতিটি তথ্য নির্ভুল হবে এবং যদি বাবা এবং মা মৃত হয়ে থাকে তবে মৃত্যুর সনদ প্রদান করতে হবে।
  • নাগরিক সনদঃ আপনি যে দেশের নাগরিক তার একটি সনদপত্র রয়েছে সেটি লাগবে। এই সনদপত্রটি পৌরসভা সিটি কর্পোরেশন থেকে তুলতে হবে।
  • স্বামী বা স্ত্রীর পরিচয় পত্রঃ যদি আবেদনকারী বিবাহিত হয়ে থাকে তবে স্বামী বা স্ত্রীর জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি দিতে হবে।
  • অঙ্গীকারনামাঃ একটি লিখিত অঙ্গীকারনামা দিতে হবে যে, আবেদনকারী প্রথমবারের মতন ভোটার হতে যাচ্ছে। যদি পরবর্তীতে এরকম কোন তথ্য পাওয়া যায় যে ওই ব্যক্তি দ্বিতীয়বার ভোটারের জন্য আবেদন করছে তবে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
  • ইউটিলিটি বিল কপিঃ আবেদনকারী তার ইউটিলিটি বিল অর্থাৎ বিদ্যুৎ বা গ্যাস বিল এর কপি প্রদান করবে তার ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে। সেটি বাবা-মা যে কারো নামে হলেও চলবে কারণ প্রার্থীর বাবা মার তথ্য জমা নেওয়া হবে।
  • হোল্ডিং ট্যাক্স কপিঃ বাড়ির যে হোল্ডিং ট্যাক্স থাকে তার পরিশোধের কপি প্রদান করতে হবে।
উপরে উল্লেখিত প্রত্যেকটি বিষয় নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম এর অন্তর্ভুক্ত এবং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো ছাড়া জাতীয় পরিচয় গ্রহণ করা সম্ভব নয়।

অনলাইনে আইডি কার্ডের জন্য কিভাবে আবেদন করবেন

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম অনুযায়ী অনলাইনে আইডি কার্ডের জন্য কিভাবে আবেদন করবেন তা নিচে উল্লেখ করা হলো-
  1. সর্বপ্রথম https://services.nidw.gov.bd/ এই ওয়েবসাইটটিতে ভিজিট করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে আপনার নাম, মোবাইল নাম্বার, ক্যাপচা এবং জন্ম তারিখ দিয়ে।
  2. এরপর আবেদন ফরমটির কার্যক্রম সম্পন্ন হলে আবেদনের একটি কপি অনলাইন থেকে ডাউনলোড করতে হবে। 
  3. ডাউনলোড করা কপিটি এবং অন্যান্য যাবতীয় কাগজপত্র নিয়ে নিকটস্থ নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করতে হবে।
  4. আপনার প্রতিটি তথ্য খতিয়ে দেখার পর আঙ্গুলের ছাপ এবং বায়োমেট্রিক ডাটা অর্থাৎ চোখের রেটিনা স্ক্রিন এর জন্য নির্বাচন অফিস থেকে আপনাকে ডেকে নেয়া হবে।
  5. এ সকল কার্যক্রম সঠিকভাবে সম্পন্ন হলে অনলাইন থেকে জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।
  6. যখন আইডি কার্ড অনুমোদন হয়ে যাবে আপনার মোবাইল ফোনে একটি এসএমএস পাঠানো হবে।

আইডি কার্ড করতে কত টাকা লাগে?

অনেকের মনের প্রশ্ন থাকতে পারে আইডি কার্ড করতে কত টাকা লাগে বা কি পরিমান খরচ করতে হয়। এক্ষেত্রে আপনাদের সুবিধার্থে বলে দেই, যদি আপনার জাতীয় পত্র সরকারি মাধ্যমে করে থাকেন তাহলে আপনার কোন টাকা-পয়সা খরচ হবে না।

আবার যদি আইডি কার্ড সংশোধন করতে হয় সেক্ষেত্রে খরচ হবে ২৩০ টাকা। এর মধ্যে ফি হলো ২০০ টাকা এবং ১৫% ভ্যাট সহ ৩০ অর্থাৎ মোট ২৩০ টাকা। আর এর সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খরচের ফি হলো ১১৫ টাকা।

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড আবেদনে কত টাকা লাগে?

অনেকেই জানে না অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড করতে কত টাকা লাগে । তাদের সুবিধার্থে জানিয়ে দেই যে অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ডের জন্য আবেদন করতে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত আপনার খরচ হতে পারে। আর এ খরচটি করতে হবে বা টাকাটি আপনাকে যে কম্পিউটার দোকানে করবেন সেখানে দিতে হবে। অর্থাৎ, এই অর্থটি তার কাজের বিনিময়ে পারিশ্রমিক হিসেবে আপনি দিবেন।

ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম

উপরে আলোচনার দ্বারা নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম সম্পর্কে আপনাদের জানানো হয়েছে। এখন আলোচনা করব ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম সম্পর্কে। জাতীয় পরিচয় পত্র চেক করা খুব একটা কঠিন বিষয় নয়। তিন ভাবে এনআইডি কার্ড চেক করা যায়। যথা-
  1. ১০৫ নাম্বারে এসএমএস এর মাধ্যমেঃ এক্ষেত্রে আপনার মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে nid লিখে স্পেস দিয়ে এনআইডি নাম্বার লিখুন ।আবার স্পেস দিয়ে জন্ম তারিখ লিখে ১০৫ নাম্বারে সেন্ড করুন। ২৪ ঘন্টা মধ্যে আপনার ভোটার আইডি কার্ড এর সকল তথ্য জানতে পারবেন।
  2. ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল যে ওয়েবসাইট রয়েছে তার মাধ্যমেঃ এই ওয়েবসাইটে গিয়ে নাগরিক কর্নার মেনুতে প্রবেশ করতে হবে। এরপর একটি মোবাইল নাম্বার দিন যেটি সচল। তারপর জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম্বারটি প্রেস করুন এবং জন্ম তারিখ বসিয়ে দিন। অল্প সময়ের মধ্যেই আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের সকল তথ্য পেয়ে যাবেন।
  3. অফিসিয়াল ওয়েবসাইট nidw থেকেঃ এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সর্বপ্রথম রেজিস্ট্রেশন করুন। এরপর পরিচয় পত্র নাম্বার, জন্ম তারিখ, ঠিকানা সহ সকল তথ্য বসিয়ে দিন। এখানে মোবাইল নাম্বারের ওটিপি ভেরিফিকেশন করা জরুরী। পরবর্তীতে ফেস ভেরিফিকেশন করতে হবে এন আই ডি অ্যাপ ডাউনলোডের মাধ্যমে। একটি নতুন পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে। এরপরেই আপনার এনআইডি কার্ড ডাউনলোড হয়ে সম্পূর্ণ তথ্য আপনার সামনে চলে আসবে।

ভোটার নিবন্ধন ফরম এর স্লিপ হারিয়ে গেলে কি করবেন?

ভোটার নিবন্ধনের স্লিপ প্রায় সময় দেখা যায় মানুষজন হারিয়ে ফেলে। খুব সাধারন একটি বিষয়। কিন্তু অনেকে দিশেহারা হয়ে যায় ভোটার নিবন্ধন ফরম এর স্লিপ হারিয়ে গেলে কি করবেন। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক।
  • এমন কেউ যদি আগে ভোট দিয়ে পরবর্তীতে স্লিপ হারিয়ে ফেলে সেক্ষেত্রে আপনার এলাকা বা গ্রামের ভোটার তালিকা চেক করবেন। সেখানে আপনার বাবা-মা এবং আপনার তথ্য নিয়ে ১২ সংখ্যার একটি নাম্বার থাকবে। নাম্বারটি তুলে নিয়ে নির্বাচন অফিসে গিয়ে আপনার কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন।
  • আর যারা ভোটার  বা কোন এন আই ডি নম্বর নেই তাদের একটু ভোগান্তিতে পড়তে হবে। এক্ষেত্রে নির্বাচন অফিসে গিয়ে আপনার সমস্যা বলে তাদের এনআইডি সার্ভার থেকে তথ্যগুলো খুঁজে বের করতে হবে। পূর্বের সকল তথ্য আপনাকে একই বলতে হবে। কারণ কোন ভুল করা যাবে না।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে?

আমাদের মধ্যে এমন অনেক রয়েছে যাদের ভোটার আইডি কার্ডে সঠিক তথ্য দেয়া থাকে না। কিন্তু এটি একটি মারাত্মক সমস্যা। যাদের এরূপ সমস্যা রয়েছে তাদেরকে অবশ্যই যত দ্রুত সম্ভব সংশোধন করে নিতে হবে। এখন প্রশ্ন হল ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে? চলুন তাহলে এর উত্তরটি জেনে নিন।

  • শিক্ষা সনদ
  • জন্ম সনদ
  • পাসপোর্ট
  • বিয়ের কাবিননামা
  • ড্রাইভিং লাইসেন্স
  • সন্তানের সার্টিফিকেট
  • সন্তানের জাতীয় পরিচয় পত্র
  • তৎকালীন উপজেলা নির্বাচন অফিসারের প্রতিবেদন এর কপি
  • পারিবারিক সনদপত্রের কপি
  • ইউটিলিটি বিল
  • গ্যাস বিল বা বাড়ির ট্যাক্স রশিদ

ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে কিভাবে উঠাবো?

অসংখ্য মানুষ আছে যাদের ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে যায়। সর্বপ্রথম কথা হল এটি এত একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস যেটি এমন সুরক্ষিত রাখতে হবে যেন না হারিয়ে যায়। আর ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে কিভাবে উঠাবো এ বিষয়টিও জানতে হবে। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক।

কোন ব্যক্তির যদি জাতীয় পরিচয় পত্র হারিয়ে যায় তবে সর্বপ্রথম নিকটস্থ থানায় গিয়ে তাকে জিডি করতে হবে। এরপর জিডি করা কপিটি অনলাইনের মাধ্যমে কার্ড সংগ্রহের জন্য রিইস্যু করার উদ্দেশ্যে আপলোড করতে হবে। আবেদনটির অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করুন। অনুমোদন হয়ে গেলে অনলাইন থেকে পুনরায় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম-শেষ কথা

জাতীয় পরিচয় পত্র যার দ্বারা এটি প্রমাণ হয় যে আপনি দেশের নাগরিক। তাহলে বুঝতেই পারছেন এর গুরুত্ব কতটুকু। নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম থেকে শুরু করে যাবতীয় কার্যাবলী সম্পর্কে আজ আমরা আলোচনা করেছি। ভোটার তালিকায় নাম থেকে শুরু করে সকল কার্যক্রম এখান থেকে আপনারা বুঝতে পারবেন এবং আপনাদের জাতীয় পরিচয় পত্র আবেদন থেকে শুরু করে হাতে পাওয়া পর্যন্ত আশা করছি আপনাদের আর কোন সমস্যা হবে না।

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম সম্পর্কে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন। অন্যদের সাথে শেয়ার করুন যাতে অন্যরাও এ বিষয়ে অবগত হতে পারে। এটি আমাদের সামাজিক নীতির মধ্যেই পড়ে। নিজে জানুন অন্যকে জানতে সহায়তা করুন। লেখাটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url