শীতে ত্বকের যত্ন

আমাদের দেহের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হলো আমাদের ত্বক। খুব সুন্দর ত্বকের মাধ্যমে সৌন্দর্য বহুগুণ বেড়ে যায়। আবার সেই সাথে ত্বক যদি রুক্ষ শুষ্ক হয় তাহলেই সব শেষ। মানুষের সৌন্দর্য প্রকাশের সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে তার ত্বক। বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় দেখা যায় ত্বকের অবস্থা নাজেহাল হয়ে যায়। সেই সময়টি হল শীতকাল।

প্রিয় পাঠক বৃন্দ, আজকে আমরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব সেটি হল শীতে ত্বকের যত্ন সম্পর্কে। অসংখ্য মানুষ শীতকালে ত্বকের যত্ন নিয়ে নানা ধরনের ভোগান্তিতে পড়ে থাকেন। তাই শীতে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিবেন সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। সকল টিপস গুলো পেতে হলে আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে শেষ পর্যন্ত পড়তে থাকুন।

আরো পড়ুনঃ মুখের কালো দাগ দূর করার সহজ উপায়

পেজ সূচিপত্রঃ

শীতকালে প্রায় প্রতিটি মানুষেরই ত্বক স্বাভাবিকের চেয়ে একটু অস্বাভাবিক হয়ে যায়। যাদের ত্বক তৈলাক্ত শীতকালে শুষ্ক হয়ে যায়। আর যাদের ত্বক এমনিতেই শুষ্ক তাদের আরও বেশি শুষ্ক হয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবেই একটু চিন্তার বিষয়। কিন্তু শীতকালে এমনটি হবেই এ বিষয়টি মানতে হবে। আমাদের হাতের কাছে এমন সব উপকরণ রয়েছে যার দ্বারা এই সমস্যা থেকে পরিত্রান পাওয়া সম্ভব। তাহলে এক্ষুনি চিন্তা বাদ দিন আর জেনে নিন শীতে ত্বকের যত্নে ঘরোয়া উপায় কি সে সম্পরকে।
  • নারিকেল তেল দিয়ে শুষ্ক ত্বকে মেসেজ করতে পারেন। এটি ময়েশ্চারাইদের কাজ করে। আর নিয়মিত ব্যবহারের ফলে ত্বক স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।
  • অলিভ অয়েল ত্বককে ভালো রাখার ক্ষেত্রে খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করে। শীতকালে অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে ফলাফল নিজেই বুঝতে পারবেন।
  • মধু ও পাকা পেঁপে একত্রে মিশ্রণ তৈরি করে সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করলে ত্বকের মসৃণতা ফিরে আসে। আর সেই সাথে উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।
  • গোলাপজল ও টক দই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে ব্যবহার করতে পারেন। শুষ্ক ভাব দূর হয়ে যাবে এবং আগের চেয়ে ত্বক ভালো হয়ে উঠবে।
  • পাকা কলা ও দুধ ব্লেন্ড করে মুখে লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। 15 থেকে 20 মিনিট পর শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন ব্যবহার করে বুঝতে পারবেন ত্বক কতটুকু কোমল হয়েছে।
  • ত্বককে ভালো রাখার ক্ষেত্রে মধুর কোন বিকল্প নেই। মধু ত্বকের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। আর যে কোন মিশ্রণের সাথে মধু ব্যবহার করা যায়।
  • শীতকাল মানেই গ্লিসারিন এর ব্যবহার। গ্লিসারিনের সাথে পানি বা গোলাপ জল মিশিয়ে নিয়মিত রাতে ব্যবহার করলে শীতকালেও স্কিন থাকে মোলায়েম।
শীতে ত্বকের যত্ন বলতে গেলে উপরের ঘরোয়া পদ্ধতি গুলো অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

শীতের জন্য কোন ক্রিম সবচেয়ে ভালো?

শীত আসলে সকলে চিন্তায় পড়ে যায় ত্বক কিভাবে ভালো রাখবে। প্রায় প্রত্যেকের মনে এই প্রশ্নটি থাকে শীতের জন্য কোন ক্রিম সবচেয়ে ভালো? শীতকালে ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে ভালো ক্রিমগুলো নিয়ে আজ আমরা আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। চলুন তাহলে কথা না বাড়িয়ে জেনে নেয়া যাক শীতে ত্বকের যত্ন নিতে হলে কোন ক্রিমগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে।
  1. লোটাস হারবাল অয়েল এন্ড হানি মেসেজ ক্রিমঃ এটি একটি হারবাল ক্রিম। এই ক্রিমটি ব্যবহারের ফলে ত্বকের শুষ্কতা দূর হয়, বিভিন্ন জায়গায় কালো কালো ছোপ গুলো চলে যায় এবং ত্বকের মরা কোষ গুলো দূর হয়ে ত্বক হয় প্রাণবন্ত। শীতকালে ব্যবহারের উপযোগী এই ক্রিমটি হতে পারে আপনার বেস্ট চয়েস।
  2. ফ্যাব ইন্ডিয়া সিল্ক প্রোটিন ক্রিমঃ এই ক্রিমটি সম্পূর্ণ অর্গানিক। ত্বককে ভালো রাখার জন্য যা কিছু প্রয়োজন সে সব উপকরণ দিয়ে তৈরি এই ক্রিমটি ব্যবহারের ফলে ত্বকের খসখসে ভাব দূর হয়ে যায়। এছাড়াও বয়সের ছাপ কমাতে সাহায্য করে।
  3. লাইকরিস কোল্ড ক্রিমঃ এই ক্রিমটিতে অ্যালোভেরা, অলিভ অয়েল ও জোজোবা তেল সংমিশ্রণ করা হয়েছে। নিঃসন্দেহে এই ক্রিমটি শীতের রুক্ষতা থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করবে। 
শীতে ত্বকের যত্ন করার উদ্দেশ্যে এই ক্রিমগুলো তৈরি করা হয়েছে। এগুলো ব্যবহারের ফলে ত্বক ফেটে যাওয়া, রুক্ষভাব বিভিন্ন ধরনের শীতকালীন সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আশা করছি এগুলো ব্যবহার করে আপনারা উপকৃত হবেন।

শীতে ঠোঁটের যত্ন

শীতকালে যেমন প্রকৃতি অন্যরকম হয়ে যায়। ঠিক তেমনিভাবে সেই রুক্ষ তাও আমাদের দেহের মাঝে চলে আসে ছোঁয়া দিতে। ত্বকের সাথে সাথে ঠোঁটো হয়ে যায় শুকনো এবং রুক্ষ। তাই ঠোঁটের যত্নের জন্য শীতকালে একটু এক্সট্রা কেয়ার নিতেই হয়। শীতে ঠোঁটের যত্ন নেয়াকে উদ্দেশ্য করে আমরা যে প্রোডাক্ট গুলো ব্যবহার করতে পারি তা হল-
  • ভেসলিনঃ ভেসলিন আমাদের ঠোঁটের রুক্ষ তাকে দূর করে। ঠোটের চামড়া উঠে গেলে সেটিকে সরিয়ে ফেলে। এছাড়াও ভেসলিন ব্যবহার করলে ঠোঁট মসৃণ হয়ে যায়।
  • গ্লিসারিনঃ গ্লিসারিন শুধু সারা শরীরে যে ব্যবহার করা যায় এ ধারণা একদম ভুল। এটি ঠোঁটের জন্য খুবই কার্যকর। ভালো ফলাফল পেতে হলে গ্লিসারিনের সাথে গোলাপজল অথবা পানি মিশিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে উঠে পূর্বে তুলনায় ঠোঁটের অবস্থান নিজেই বুঝতে পারবেন।
  • আমন্ড অয়েলঃ আমন্ড অয়েল লাগালে ঠোঁট সুস্থ থাকে এবং সুন্দর থাকে। রুক্ষতার ছোঁয়া মাত্র পাওয়া যায় না।
  • লেবুর রস ও মধুঃ মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে শুকাতে হবে। শুকিয়ে গেলে ঠোঁট ধুয়ে ফেলুন। এটি ঠোঁট কোমল করবে এবং কালো সব দাগ দূর করে দিবে নিয়মিত ব্যবহার করলে।
  • লিপ বামঃ দিনের বেশিরভাগ সময় ঘন ঘন লিভ বাম ব্যবহারের ফলে ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে না। ফলে শুষ্কতা হ্রাস পায়।
  • মধু ও অলিভ অয়েলঃ মধু ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে মেসেজ করলে ঠোঁটের অবাঞ্ছিত চামড়াগুলো উঠে যায়। এছাড়াও ঠোঁটকে ময়েশ্চারাইজার রাখতে সাহায্য করে।

শীতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির উপায় কি?

শীতে ত্বকের যত্ন করার সাথে সাথে যেন উজ্জ্বল থাকে সেই দিকটাও লক্ষ্য করতে হবে। এমনি শীতকালের স্কিন খারাপ হয়ে যায়। আর এর মধ্যে উজ্জ্বলতা কিভাবে বৃদ্ধি পাবে এ বিষয়টিও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শীতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির উপায় কি নিচে উল্লেখ করা হলো।
  • শীতের রাতে নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এটি ত্বক ভালো রাখবে এবং উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করবে।
  • ত্বকের কাছে ভাব দূর করে চকচকে করতে গাজরের ভূমিকা অপরিসীম। গাজর পেস্ট করে এতে মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে লাগাতে পারেন। এটি রোদে পোড়া ভাব দূর করে এবং ভেতর থেকে উজ্জ্বলতা দেয়।
  • ত্বকের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ভিটামিন সি। তাই সে ক্ষেত্রে কমলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কমলার খোসা রোদে শুকিয়ে গুড়া করে সেটিতে মধু অথবা গোলাপজল মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে ব্যবহার করলে মুখের উজ্জ্বলতা কয়েক গুণ বৃদ্ধি পায়।
  • ভিটামিন ই ক্যাপসুল এবং পাকা কলা দিয়ে প্যাক তৈরি করে নিয়মিত মুখে লাগালে ত্বকের মরাকোষ গুলো পুনর্জীবিত হয়। যার ফলে পূর্বের তুলনায় রং ফর্সা করে।
  • শীতের বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি পাওয়া যায়। প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি খেলেও ত্বক ভালো থাকে এবং একেক ধরনের সবজিতে একেক রকম ভিটামিনের কারণে উজ্জ্বলতা বাড়ে।
  • প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। স্কিন ভালো রাখার ক্ষেত্রে পানির কোনো বিকল্প নেই। 

শীতে চুলের যত্ন

শীতকালে যেমন আমাদের স্কিন রুক্ষ হয়ে যায় তেমনি ভাবে এর প্রভাব মারাত্মক ভাবে আমাদের চুলের উপরে পড়ে থাকে। শীত শুরু হতে না হতেই শুরু হয়ে যায় চুলের নানা ধরনের সমস্যা। ত্বকের আদ্রতা কমে যাওয়ার কারণে চুলে খুশকি দেখা দেয়, চুল ফেটে যায় ও রুক্ষ হয়ে যায়। তাই আজকে আমরা এই সমস্যা থেকে বের হয়ে আসার জন্য আপনাদের সকলের উদ্দেশ্যে শীতে চুলের যত্ন কিভাবে নিবেন এ বিষয়ে নিয়ে আলোচনা করতে চলে এলাম।

  • শীতের চুলের যত্ন করার প্রধান শর্ত হলো চুলে নিয়মিত তেল দেয়া। যেহেতু এই সময়ে চুল অনেক শুষ্ক হয়ে যায় এবং ফেটে যায় বিভিন্ন ধরনের তেলের প্রথম সমাধান। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু তেল রয়েছে যা ব্যবহার করলে খুব ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। যেমন-বাদাম তেল, নারিকেল তেল, সরিষার তেল, কালোজিরা তেল, ট্রি ট্রি অয়েল ইত্যাদি।
  • চুলের খুশকি দূর করার উদ্দেশ্যে নারিকেল তেলের সাথে জবা ফুল দিয়ে জাল করে ব্যবহার করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।
  • মাথার ত্বককে রুক্ষতা থেকে দূর করার জন্য অলিভ অয়েল হালকা কুসুম গরম করে নিয়ে এতে লেবুর রস দিয়ে ভালোভাবে কিছুক্ষণ মেসেজ করে নিন। এরপর শ্যাম্পু করে ফেলুন। ব্যবহার করলেই ফলাফল পেয়ে যাবেন।
  • শীতে অনেকে আছে এমন যারা দৈনিক চুল না ভিজিয়ে গোসল করে নেয়। কিন্তু চুল না পরিষ্কার করলে ময়লা জমে আরও খুশকি বাড়তে থাকে এবং চুল পড়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়। তাই সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন ভালোভাবে শ্যাম্পু করে নিতে হবে এবং অবশ্যই এরপর কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে।
  • শীতের সময় হেয়ার ড্রায়ার এবং অন্যান্য হেয়ার টুলস ব্যবহার না করাই ভালো। এতে চুলের ওপর বাড়তি প্রেসার পড়ে এবং চুল ভেঙে পড়ে যায়।
  • শীতে চুলকে ভালো রাখার জন্য চুলের প্রোটিনের প্রয়োজন হয়। তাই সময় করে সপ্তাহে অন্তত একদিন বা ১৫ দিন পর একদিন ডিম, টক দই, লেবুর রস ও মধু দিয়ে প্যাক তৈরি করে ব্যবহার করতে পারেন। এই হেয়ার প্যাকটি চুলকে ভালো রাখার ক্ষেত্রে অন্যান্য ভূমিকা রাখে।
শীতকালে ত্বকের যত্নে ডাক্তারের পরামর্শ

শীতে ত্বকের যত্ন করার ক্ষেত্রে ঘরোয়া উপায় থেকে শুরু করে অনেক কিছুই আমরা জানলাম। এখন আমরা জানবো শীতকালে ত্বকের যত্নে ডাক্তারের পরামর্শ কি?
  1. শীতে খুব ঘন ঘন মুখে পানির ঝাপটা দিতে হবে যার ফলে সহজে ত্বক শুষ্ক হবে না।
  2. বাহিরে গেলে অবশ্যই সানস্ক্রিম ব্যবহার করতে হবে।
  3. অতিরিক্ত গরম পানি ত্বকে ব্যবহার করা যাবে না। ত্বকের জন্য সর্বদা ঠান্ডা পানি শ্রেয়।
  4. গোসলের পর পর ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে এবং রাতে ঘুমানোর আগে। রাতে যে কোন কিছু খুব ভালো কাজ করে।
  5. ফোমিং জাতীয় ফেসওয়াশ ব্যবহার না করা ভালো। এর ফলে ত্বক আরো বেশি শুষ্ক হয়ে যায়।
  6. মাথার ত্বক এবং চুলকে ভালো রাখার জন্য বাহিরে যাওয়ার সময় মাথার থেকে অথবা ক্যাপ করে বের হওয়া উচিত।
  7. বাজার থেকে ভালো মানের ব্রান্ডের ময়েশ্চারাইজার কিনে ব্যবহার করুন। ত্বক ভালো রাখতে হলে অবশ্যই সস্তা পণ্য ব্যবহার করা যাবে না।

শীতে ত্বকের যত্ন-শেষ কথা

শীতকালে এমন কোন ব্যক্তি হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে না যার ত্বক একবারে স্বাভাবিক থাকে। অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে তাই ত্বকের জন্য একটু এক্সট্রা কেয়ার নিতে হয়। শরীরের প্রতিটি অঙ্গের শীতকালে ভালোভাবে যত্ন করতে হয়। বিভিন্ন ধরনের ঘরোয়া উপায়ে এবং বিভিন্ন রকম ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম লোশন ব্যবহার করে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। তাই আমরা অবশ্যই শীতকালে ত্বককে কিভাবে ভালো রাখা যায় এই বিষয়টিকে লক্ষ্য রেখে বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট ব্যবহার করব। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নেব।
আমাদের আজকের আর্টিকেলটি শীতে ত্বকের যত্ন কিভাবে নিবেন তার উপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে। আশা করছি আমাদের লেখাটি পড়ে আপনারা আসছে শীতে ভালো উপকার পাবেন। আমাদের প্রত্যেকটি লেখাই আপনাদের জন্য। বিভিন্ন বিষয়ে আপনাদের জানানোর মধ্যে আমাদের সার্থকতা নিহিত রয়েছে। ধৈর্য সহকারে লেখাটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। শীতকাল আপনাদের জন্য উপভোগ্য হোক এই কামনা করে লেখাটি শেষ শেষ করছি।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url