মুখে তালাক দেওয়ার নিয়ম

আমরা অনেকেই মুখে তালাক দেওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জানিনা। কিন্তু একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের অবশ্যই মুখে তালাক দেওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জেনে থাকা জরুরী। কারণ বিবাহ তালাক এগুলো আমাদের জীবনের সঙ্গে জড়িত। সেই জন্য আমাদেরকে মুখে তালাক দেওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জানতে হবে।

আপনি যদি মুখে তালাক দেওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জানতে চান তাহলে সম্পূর্ণ আর্টিকেল মনোযোগ সহকারে পড়ুন। তাহলে চলুন দেরি না করে মুখে তালাক দেওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

পেজ সূচিপত্রঃ মুখে তালাক দেওয়ার নিয়ম - তালাক দেওয়ার ইসলামী নিয়ম

মুখে তালাক দেওয়ার নিয়ম - তালাক দেওয়ার ইসলামী নিয়ম

অনেক সময় আমরা রাগের মাথায় স্ত্রীকে তালাক দিয়ে থাকি। সাধারণত বিবাহ তালাক এগুলো আমাদের জীবনের একটি অংশ। মুখে তালাক দেওয়ার নিয়ম সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানিনা। এ ছাড়া তালাক দেওয়ার ইসলামী নিয়ম সম্পর্কে জানতে হবে একজন প্রকৃত মুসলিম হিসেবে। কোন স্ত্রী যদি স্বামীর অধিকার আদায় না করে অবাধ্য জীবন যাপন করে।

আরো পড়ুনঃ নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম

তাহলে প্রতিটি স্বামীর দায়িত্ব হল তার স্ত্রীকে সংশোধন করার চেষ্টা করা। যদি একেবারেই সংশোধন না হয় তাহলে তাকে তালাক দিতে হবে। তবে অবশ্যই তালাক দেওয়ার ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী হতে হবে। যদি পরিস্থিতি এমন ভয়াবহ অবস্থায় পৌঁছে যায় যে মীমাংসার সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়, তখন ইসলামী শরীয়তে অনুযায়ী স্বামীকে তালাক দিয়ে দিতে হবে।

ইসলামের দৃষ্টিতে তালাক দেওয়া একটি অপছন্দনীয় এবং ঘৃণিত কাজ। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, "আল্লাহর কাছে বৈধ কাজগুলোর মধ্যে সবথেকে ঘৃণিত কাজ হল তালাক দেওয়া।"{ আবু দাউদঃ২১৭৮} কিন্তু ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী তালাক দেওয়াকে ইসলাম সমর্থন করে। তালাক দেওয়ার ইসলামী নিয়ম নিচে উল্লেখ করা হলো।

১। স্ত্রী যখন হায়েজ অর্থাৎ মাসিক থেকে পবিত্র হবে তখন স্বামী তার সঙ্গে সহবাস না করে সুস্পষ্ট শব্দ তালাক দেবে। মাসিক অবস্থায় তালাক দেওয়া নিষিদ্ধ। যাতে তার উক্ত দুঃসময়ের কারণে তালাক সংঘটিত না হয় বরং ভালো সময়ে বুঝে শুনে তালাক সংঘটিত হয়।

২। স্বামী সুস্পষ্ট শব্দ এক তালাক দেবে। এরপরে স্বামী যদি স্ত্রীকে ইদ্দত চলা অবস্থায় ফিরিয়ে নেই তাহলে ভালো। পুনরায় স্বামী স্ত্রী সম্পর্ক কায়েম হয়ে যাবে। এর জন্য নতুন করে বিবাহ করার প্রয়োজন নেই। আর যদি ইদ্দত চলাকালীন অবস্থায় স্বামী স্ত্রীকে ফিরিয়ে না নেই তাহলে ইদ্দত শেষে সঙ্গে সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।

কিন্তু স্বামী যদি একসঙ্গে তিন তালাক দিয়ে থাকে তাহলে ইদ্দত চলাকালীন অবস্থায় স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেওয়ার কোন সুযোগ থাকে না। বিদ্যুতের পরে নতুনভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার অবকাশ থাকে না। তারা একে অন্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ হারাম হয়ে যাবে।

৩। যদি স্বামী-স্ত্রী চাই যে আর কোনদিন তারা একে অন্যের সংসারে ফিরে আসবে না সে ক্ষেত্রে ইসলাম একসঙ্গে তিন তালাক দিতে নিষেধ করেছে। তাই মাসিকের পর প্রত্যেক পবিত্রতা সময় এক তালাক করে তিন তালাক দেবে। এভাবে তিন তালাকের মধ্যে তারা সম্পূর্ণ পৃথক হয়ে যাবে। এই পদ্ধতিতে তালাক দিলে তালাক পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে স্বাভাবিকভাবে চিন্তাভাবনা করার সুযোগ পাওয়া যায়।

৪। ইসলামে তালাক দেওয়ার অধিকার কেবল স্বামীর রয়েছে। স্ত্রী কখনো স্বামীকে তালাক দিতে পারবে না কেননা স্ত্রী স্বভাবে সাধারণত তাড়াহুড়া করার প্রবণতা বেশি। তাই তাদের তালাকের ক্ষমতা দিলে ছোট খাটো বিষয় নিয়েই হুট করে তালাক দিয়ে দেওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। যার ফলে ইসলামের নারীকে তালাকের ক্ষমতা দেওয়া হয়নি।

৫। ইসলামী শরীয়তে নারীদের সম্পূর্ণ আটক করে রাখতে বলা হয়নি। নারীরা তাদের প্রয়োজনে যথাযথ নিয়মে বিবাহ বিচ্ছেদ করতে পারবে। এজন্য তাদের নির্দিষ্ট ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বিবাহের আগে স্ত্রী এই শর্ত দিতে পারবে যে তাকে তালাক দেওয়ার অধিকার দিতে হবে। তখন স্বামী অধিকার দিলের স্ত্রীর প্রয়োজনে সে অধিকার প্রয়োগ করবে।

সৌদি আরবে তালাকের নিয়ম

আমরা অনেকেই সৌদি আরবে তালাকের নিয়ম সম্পর্কে জানতে চায়। সৌদি আরব যেহেতু একটি মুসলিম প্রধান দেশ তাই সেই দেশে তালাক হবে ইসলামিক নিয়ম অনুযায়ী এটাই স্বাভাবিক। তবুও সৌদি আরবে তালাকের নিয়ম নীচে উল্লেখ করা হলো।

বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য নতুন তালাকের আইন করছে রক্ষণশীল দেশ সৌদি আরব। দেশটিতে অনেক সময় স্ত্রীদের না জানিয়েই তালাক দিয়ে দেন স্বামীরা। স্বামীর এমন সিদ্ধান্তে অসম্মতি জানানো তো দূরের কথা, অনেক সময় বিচ্ছেদপরবর্তী ভরণপোষণের আবেদন করার সুযোগও পান না স্ত্রীরা।

তাই নতুন আইনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নতুন এ আইনে আদালতে বিচ্ছেদের আবেদন করার আগে অন্তত মোবাইলে বার্তা পাঠিয়ে স্ত্রীকে জানাতে হবে বিচ্ছেদের কথা। রোববার থেকে দেশটিতে চালু হচ্ছে নতুন এ আইন

তথ্যঃ যুগান্তর

কি কি কারণে তালাক হয়

আমরা ইতিমধ্যেই মুখে তালাক দেওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জেনেছি। তালাক শব্দের অর্থ হল বিচ্ছিন্ন হওয়া। বিবাহের বাধন খুলে দেওয়াকে তালাক বলা হয়। কি কি কারণে তালাক হয়? এ বিষয়গুলো সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানিনা। যেহেতু তালাক ইসলামের সম্পূর্ণ জায়েজ একটি কাজ কিন্তু আল্লাহর তায়ালার কাছে এটি সবথেকে অপ্রিয় এবং অপছন্দনীয় কাজ। কি কি কারণে তালাক হয়? নিচে উল্লেখ করা হলো।

আরো পড়ুনঃ ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম

ইসলাম থেকে দূরে সরে পড়াঃ বর্তমান সময়ে আমরা ইসলাম থেকে দূরে সরে গিয়েছি। আমরা এখন আমাদের ক্যারিয়ার এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে পড়ে থাকি। কখনো ইসলামিক নিয়ম অনুযায়ী আমাদের জীবন পরিচালনা করতে চেষ্টাও করি না। আমরা যখন ইসলামের পথ থেকে অনেক দূরে সরে যাব তখন আমাদের মাঝে বিভিন্ন রকমের অসুবিধা দেখা দিবে। তার মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর তালাক অন্যতম একটি।

শয়তানের প্ররোচনাঃ আমাদের সকল অনিষ্টের কারণ হলো শয়তান। শয়তান সবথেকে বেশি খুশি হয় যখন স্বামী স্ত্রী মধ্যে তালাক হয়ে যায়। যুগ যুগ ধরে শয়তান প্ররোচনা তালাক সংঘটিত হয়ে আসছে। যেহেতু মুসলিমের মাঝে বিচ্ছিন্নতা হয় সাধারণত তাই শয়তানি খুশি হয়ে থাকে। রাগের মাথায় আমরা অনেক সময় শয়তানের প্রয়োজনায় এসে স্ত্রীকে তালাক দিয়ে থাকি।

স্বামী স্ত্রীর অনৈক্যঃ আমাদের দেশে অধিকাংশ পরিবার অল্প শিক্ষিত। কিন্তু বর্তমান সময়ে যে সকল নারীরা অধিক স্বীকৃত তারা স্বামীর কথা শুনতে চায়না। কারণ স্ত্রীরা নিজেদেরকে স্বাবলম্বী মনে করে। তারা চাকরি এবং তাদের ক্যারিয়ারের পেছনে ছুটে স্বামীকে তোয়াক্কা করে না। যার ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তালাক হয়ে যায় বেশিরভাগ সময়।

হারাম উপার্জনঃ সমাজে তালাকের প্রবণতা বাড়ার অন্যতম একটি কারণ হলো হারাম উপার্জনে নিজের জীবন পরিচালনা করা। কারণ হারাম উপার্জনের মাঝে কখনোই আল্লাহ তায়ালার বরকত নেই। আপনি যদি অল্প উপার্জন করেন এবং সেটি যদি হয় হালাল তাহলে আল্লাহ তায়ালা রহমত এবং বরকত দিয়ে থাকেন। কিন্তু হারাম উপার্জনে সংসারে বিভিন্ন রকমের অশান্তি নেমে আসে।

মহিলাদের পর্দাহীনতাঃ বর্তমান সময়ে এই জিনিসটি বেশি দেখা যায়। নারীরা স্বামীদের কথা শুনে পর্দা করতে চাই না। তারা তাদের খেয়াল খুশির মতো চলাফেরা করতে যাই এটি স্বামীর সহ্য হয় না যার ফলে সমাজে তালাকের পরিমাণ বেড়ে চলেছে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তালাক হওয়ার অন্যতম কারণ এটি। আশা করি কি কি কারণে তালাক হয়? তার সম্পর্কে একটু ধারণা পেয়েছেন।

কোর্টের মাধ্যমে তালাক দেওয়ার নিয়ম

তিন মাসের পর যখন তালাক প্রদান করা হবে তখন যদি এই বিষয়গুলো সংশোধন না হয়ে থাকে তখন উভয় পরিবারের সম্মতিক্রমে বাইন তালাকের মাধ্যমে এই সম্পর্ক খারিজ হয়ে যাবে। আপনারা এখান থেকে কোর্টের মাধ্যমে তালাক দেওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জানতে পারবেন। আমরা অনেকেই কোর্টের মাধ্যমে তালাক দেওয়ার নিয়ম জানিনা। নিচে বিষয়টি উল্লেখ করা হলো।

কোর্টের মাধ্যমে স্বামী স্ত্রীকে অথবা স্ত্রী স্বামীকে তালাক প্রদান করতে পারবেন। দাম্পত্য জীবনে কলহ অথবা একাধিক সম্পর্ক থাকার কারণে সংসারে যখন অশান্তি নেমে আসবে অথবা মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন যখন ক্রমাগতভাবে চলতে থাকবে তখন এই কাজগুলো আপনারা হয়তো মেনে নিতে পারবেন না। এক্ষেত্রে অনেক সময় স্ত্রী স্বামীকে ছেড়ে চলে যায় অথবা তার কাছ থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

আবার অনেকে আছে স্ত্রীর আচরণগত সমস্যার কারণে তাকে বাবার বাড়িতে রেখে আসে এবং পরবর্তীতে তালাক পাঠিয়ে দেয়। তাই কোর্টের মাধ্যমে তালাক প্রদান করতে হলে আপনাকে একটি উকিলের মাধ্যমে একটি তালাকনামা প্রস্তুত করতে হবে এবং নোটিশের মাধ্যমে ডাকযোগে তাদের বাসায় তালাকের একটি নোটিশ চলে যাবে।

কোটের মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রীকে অথবা স্ত্রী স্বামীকে নোটিশ পাঠাতে পারবে। এক্ষেত্রে তালাক যাকে পাঠানো হয়েছে সেই ব্যক্তি যদি এটা মেনে নেয় এবং দেনমোহর সংক্রান্ত ঝামেলা গুলো নিষ্পত্তি করতে চাই তাহলে খুব সুন্দর ভাবে তালাকের কাজগুলো সম্পাদন হয়ে যাবে। আর যদি দেনমোহর বিষয় সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিষ্পত্তি না হয় তাহলে সেগুলো কোর্টে মীমাংসার মাধ্যমে করা হবে। 

চলে যাও বললে কি তালাক হয়

অনেক মুসলিম ভাই বোনের চলে যাও বললে কি তালাক হয়? এই ধরনের প্রশ্ন থাকে। আজকের এই আর্টিকেলে যেহেতু আমরা মুখে তালাক দেওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জানছি। চলে যাও বললে কি তালাক হয়? বিষয়টি সম্পর্কে জানা অতীব ও গুরুত্বপূর্ণ।

যদি কোন স্বামী তার স্ত্রীকে এরূপ কথা বলে এবং তালাকের নিয়ত করে, তবে স্ত্রী তালাক হয়ে যাবে। আর তালাকের নিয়তসহ এরূপ ইঙ্গিতবহ বাক্য উল্লেখ করে তালাক প্রদান করাকে "কেনায়া তালাক" বলে। {ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৩২/৩০২}

আয়েশা রাঃ থেকে বর্ণিত হয়েছে, জাওনের কন্যাকে যখন রাসূলুল্লাহ সাঃ এর নিকট একটি ঘরে পাঠানো হল আর তিনি তার নিকটবর্তী হলেন, তখন সে বলল, "আমি আপনার থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।" রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, "তুমি তো এক মহামহিমের কাছে পানাহ চেয়েছ। তুমি তোমার পরিবারের কাছে গিয়ে মিলিত হও" আর এটাই ছিল তার জন্য তালাক। {বুখারীঃ ৫২৫৪, ইবনু মাজাহঃ ২০৫০}

তালাক দেওয়ার পর আবার বিয়ে

আমাদের মধ্যে অনেক পুরুষ রয়েছে যারা রাগের মাথায় তাদের স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়ে থাকে। আমরা জানি যে তালাক ইসলামে বৈধ একটি কাজ কিন্তু ইসলামের বৈধ কাজগুলোর মধ্যে সবথেকে ঘৃণিত কাজ হল তালাক দেওয়া। সাধারণত যারা রাগের মাথায় তালাক দিয়ে থাকে তারা তালাক দেওয়ার পর আবার বিয়ে সম্পর্কে জানতে চায়।

তিন তালাক দেওয়ার পর আবার বিয়ে করার ইচ্ছা পোষণ করে তাহলে তার জন্য একমাত্র বৈধ ব্যবস্থা হল হালালাহ করা। অর্থাৎ অন্য স্বামীর নিকট নিয়মিত বিবাহ দেওয়া এবং তাদের মধ্যে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক গড়ে ওঠা এরপর তাদের মধ্যে যদি সংসার জীবনে কোন কারণে বিচ্ছেদ হয়ে থাকে তাহলে বিদ্যুৎ পালনের পর ওই স্ত্রীর প্রথম স্বামীর জন্য হালাল হবে।

কেউ যদি প্রথম স্বামীর বিবাহের উদ্দেশ্যে কোথাও স্ত্রীকে বিয়ে দিয়ে সেখান থেকে তালাক এর ব্যবস্থা করে তাহলে পরিকল্পনামাফিক বিয়ে এবং তালাক কখনো প্রথম স্বামীর জন্য হালাল হবে না এবং এটি হালালাহ এর অন্তর্ভুক্ত হবে না।

আরো পড়ুনঃ বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম

ইমাম রাজি রাঃ বলেন, " তিন তালাকের পর যদি স্ত্রী স্বামীর নিকট গমন করতে ইচ্ছুক হয় তবে পাঁচটি কাজ অবশ্যই সম্পূর্ণ করতে হবে" সেগুলো নিচে উল্লেখ করা হলোঃ

  • তিন মাস ইদ্দত অতিবাহিত করতে হবে।
  • দ্বিতীয় স্বামীর সাথে বিবাহ হতে হবে।
  • দ্বিতীয় স্বামীর সাথে শুধু নামে বিবাহ হলে চলবে না বরং তার সাথে সহবাস করতে হবে।
  • দ্বিতীয় স্বামী যদি তাকে কোন কারনে তালাক দিয়ে থাকে তাহলে পুনরায় তিন মাস ইজ্জত পালন করতে হবে।
  • এরপরে প্রথম স্বামীর সাথে নিয়মিত ভাবে বিবাহ হতে পারবে।

মুখে তালাক দেওয়ার নিয়ম - তালাক দেওয়ার ইসলামী নিয়মঃ শেষ কথা

মুখে তালাক দেওয়ার নিয়ম, তালাক দেওয়ার ইসলামী নিয়ম, তালাক দেওয়ার পর আবার বিয়ে, চলে যাও বললে কি তালাক হয়? কোর্টের মাধ্যমে তালাক দেওয়ার নিয়ম, কি কি কারণে তালাক হয়? সৌদি আরবে তালাকের নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। প্রিয় বন্ধুরা আশা করি আপনারা উক্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।

একজন প্রকৃত মুসলিম হিসেবে অবশ্যই আমাদের উক্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে হবে। এতক্ষণ আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। এরকম গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল আরো পড়তে নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইট ফলো করুন। 

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url